সোনালী ব্যাংকের ভল্ট থেকে দরিয়া-ই-নূর উধাও! Dariya e Noor vanished from Sonali Bank’s vault!

March 13, 2013

শাহজাহান আকন্দ শুভ ও গোলাম সাত্তার রনি Source: Dainik Amader ShomoyDECEMBER 17, 2012

…নবাবদের মহামূল্যবান হীরকখণ্ড নিয়ে গবেষক ইতিহাসবিদদের উদ্বেগ…

Dari E Noorনবাবদের মহামূল্যবান হীরকখণ্ড দরিয়া-ই-নূর সোনালী ব্যাংকের ভল্ট থেকে উধাও হয়ে গেছে বলে কোনও-কোনও সূত্র দাবি করেছে। শুধু দরিয়া-ই-নূরই নয়, সোনালী ব্যাংকের ভল্টে থাকা নবাব পরিবারের মহামূল্যবান স্বর্ণালঙ্কারও খোয়া গেছে বলে আশঙ্কা নবাবদের উত্তরসূরি ও প্রত্নসম্পদ গবেষকদের। এ অবস্থায় তারা দরিয়া-ই-নূরসহ ভল্টে থাকা নবাবদের মহামূল্যবান স্বর্ণালঙ্কারের বাস্তব অবস্থা পরীক্ষা-নীরিক্ষা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

নবাব পরিবার নিয়ে গবেষণা করেছেন এমন একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংক থেকে যেভাবে হাজার-হাজার কোটি টাকা লুট করা হয়েছে, তেমনটি দরিয়া-ই-নূরের ক্ষেত্রেও ঘটেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

প্রত্নসম্পদ গবেষকরা বলেন, সারাবিশ্বে বড় আকৃতির দুটি হীরকখণ্ড সবচেয়ে মূল্যবান ও ঐতিহাসিক। এর একটি কোহিনুর, অন্যটি দরিয়া-ই-নূর। কোহিনুর আছে ব্রিটেনের রানির কাছে এবং দরিয়া-ই-নূর ঢাকায় সোনালী ব্যাংকের ভল্টে। বাংলার ইতিহাসের বহু ঘটনার নীরব সাক্ষি এই মহামূল্যবান রত্ন। ‘দরিয়া-ই-নূর’ অর্থ ‘আলোর সাগর’। এটা বাজুবন্ধ আকৃতির। মূল হীরকটির ওজন ২৪ থেকে ২৬ ক্যারেট। পার্শ্ববর্তী প্রতিটি হীরকের ওজন ৬ থেকে ৫ দশমিক ২৫ ক্যারেট। ১১টি হীরকের সর্বমোট ওজন ৭২ থেকে ৭৬ ক্যারেট। কোহিনূর ও দরিয়া-ই-নূর অন্র্লপ্রদেশের কৃষ্ণা নদীর তীরে কোল্লুর খনিতে পাওয়া গিয়েছিল বলে জানা গেছে। সপ্তদশ শতাব্দীতে দরিয়া-ই-নূর অন্র্লপ্রদেশের মারাঠা রাজার কাছ থেকে হায়দরাবাদের নবাবদের পূর্বপুরুষ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় কিনে নেন (যখন বাংলাদেশে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত)। বিভিন্ন হাত ঘুরে অবশেষে এটি পাঞ্জাবের শিখ মহারাজ রণজিত্ সিংহের হাতে পৌঁছে। তার বংশধর শের সিংহ ও নেল সিংহের হাতে এটি ছিল। ১৮৫০ সালে পাঞ্জাব দখলের পর ইংরেজরা কোহিনুরের সঙ্গে দরিয়া-ই-নূরও করায়ত্ত করে। ১৮৫০ সালে প্রদর্শনীর জন্য কোহিনুর ও দরিয়া-ই-নূর ইংল্যান্ডে পাঠানো হয়। হীরকখণ্ড দুটি মহারানী ভিক্টোরিয়াকে উপহার হিসেবে দেয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। কিন্তু  মহারানী কোহিনুর পছন্দ করলেও দরিয়া-ই-নূর করেননি। তখন হীরকখণ্ডটি বিক্রির জন্য ভারতে ফেরত আনা হয়। ব্রিটিশ-ভারতীয় সরকার ১৮৫২ সালে দরিয়া-ই-নূর নিলামে তুললে ঢাকার ভাগ্যবান জমিদার খাজা আলিমুল্লাহ ৭৫ হাজার টাকায় কেনেন। কিছুদিনের মধ্যেই এর মূল্য দাঁড়ায় কয়েক লাখ টাকা। দরিয়া-ই-নূর ঢাকার নবাবরা সাধারণত আনুষ্ঠানিক পোশাক পরিধানকালে বাজুবন্দ হিসেবে ব্যবহার করতেন। নবাব সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পর এটি নবাব এস্টেটের চিফ ম্যানেজারের তত্ত্বাবধানে চলে যায়। এরপর বহুদিন ধরে কলকাতার হ্যামিল্টন অ্যান্ড কোম্পানির হেফাজতে ছিল। প্রতি বছর ফি বাবদ ২৫০ টাকা দিতে হত নবাবদের। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বিভাগীয় কমিশনার এবং রাজস্ব বোর্ডের অনুমতিক্রমে নবাব পরিবারের সদস্য খাজা নসুরুল্লাহর সঙ্গে এস্টেটের ডেপুটি ম্যানেজার বেলায়েত হোসেন কলকাতার হ্যামিল্টন অ্যান্ড কোম্পানির কাছ থেকে ১৯৪৯ সালে ভেলভেট কাপড়ে মোড়ানো বাক্সে ছয়টি রত্নসহ দরিয়া-ই-নূর ঢাকায় নিয়ে আসেন। এরপর ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ঢাকা শাখায় রাখেন।

১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ঢাকা ইম্পেরিয়াল ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়। তখন ১৯৬৬ সালে দরিয়া-ই-নূর রাখা বাক্সটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের সদরঘাট শাখায় গচ্ছিত রাখা হয়। ’৭১-এ বাংলাদেশ সৃষ্টির পর ব্যাংকটির নতুন নামকরণ হয় সোনালী ব্যাংক। এর রসিদ এখনও চিফ ম্যানেজার নবাব এস্টেটের কাছে গচ্ছিত থাকার কথা। নানা অব্যবস্থাপনার কারণে জমিদারি আয় কমে গেলে আর্থিক দৈন্যে পড়েন নবাব সলিমুল্লাহ। হাতি, ঘোড়া, উটের বহরসহ স্থাবর-অস্থাবর অনেক সম্পত্তি তিনি বিক্রি করে দেন। তাতেও না কুলালে তিনি ঋণ নেন। ১৯০৮ সালে নবাব সলিমুল্লাহ যখন তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে ইংরেজ সরকারের কাছ থেকে ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা ঋণ নেন, তখন দরিয়া-ই-নূরের মূল্য ধরা হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। ১৯৭৪ সালে জাতীয় জাদুঘর হীরকটি তাদের হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করে। সে সময় ভূমি মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে প্রায় ৬০ বছর পর এর মূল্য নির্ধারণ করে ৫ লাখ টাকা। কিন্তু জাদুঘর সেটি সংগ্রহ করতে পারেনি। এখনও ব্যাংকের ভল্টেই আছে কিনা, তা কেউ বলতে পারেননি।


সূত্র জানায়, সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে দরিয়া-ই-নূরের গুণগতমান যাচাই, মূল্য নির্ধারণ এবং জাদুঘরে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তত্কালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করেছিল সরকার। কিন্তু সে কমিটি কোনও ফলপ্রসূ ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এর আগে ১৯৮৫ সালে নবাব পরিবারের ‘বিই’ প্রপার্টির মালিকের পক্ষ থেকে হীরকটির বিশুদ্ধতা যাচাই এবং পরিমাপ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। এজন্য উটাহ জেমোলজিক্যাল সার্ভিস কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা পরীক্ষা করে হীরকটির অকৃত্রিম বিশুদ্ধতা পেয়েছিল। কিন্তু এখন মহামূল্যবান হীরকখণ্ডটি সোনালী ব্যাংকের ভল্টে আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অনেকের মধ্যে।

আহসান মঞ্জিলের কিপার ড. মো. আলমগীর বলেন, ইংল্যান্ডে রাজপরিবার ২০ ডলারের বিনিময়ে কোহিনুর প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করে থাকে। দরিয়া-ই-নূর হীরকটিও পর্যাপ্ত নিরাপত্তার সঙ্গে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটি জাতীয় জাদুঘর কিংবা আহসান মঞ্জিলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার সঙ্গে রাখা যেতে পারে।  ড. মো. আলমগীর নবাব পরিবারের অবদানের ওপর গবেষণা করেছেন। তিনি ২০ বছর আগে দরিয়া-ই-নূরের মূল্য ধরেছিলেন ৫২ কোটি টাকা। তিনি বলেন, যখন টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত তখন দরিয়া-ই-নূরের মূল্য ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ওই হিসাব অনুযায়ী এখন চালের প্রতি কেজির মূল্যমান ধরলে দরিয়া-ই-নূরের বর্তমান বাজারমূল্য শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্লভ বস্তু হওয়ার কারণে এ ধরনের সম্পদ মূল্যায়নের জন্য কোনও বিধিবিধান অথবা মানদণ্ড নেই। তত্কালীন মারওয়ারের রাজা মালদেব কোহিনুর কেনার সময় সম্রাট নাকি বলেছিলেন, এটি ক্রয়-বিক্রয় হয় না। অস্ত্রবলে জয় করা যায়।

নবাব পরিবারের জনকল্যাণমূলক সংস্থা আবদুল্লাহ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হক বলেন, দরিয়া-ই-নূরসহ সোনালী ব্যাংকের ভল্টে নবাব পরিবারের যেসব স্বর্ণালঙ্কার আছে তার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা; ১৯০৭ সাল থেকে যা রক্ষিত আছে। দরিয়া-ই-নূরসহ নবাবদের এই মহামূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে দর্শনীর বিনিময়ে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পাশাপাশি কী পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার গচ্ছিত রয়েছে তার ছবিসহ তালিকা প্রকাশ করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর ঢাকার নবাবদের স্মৃতিগাঁথা আবাসস্থল আহসান মঞ্জিল যখন বস্তিতে রূপান্তর হয়ে নিলামে ওঠার দ্বারপ্রান্তে। সেই নিলাম প্রস্তাবটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হয়। বঙ্গবন্ধু তখন আহসান মঞ্জিল নিলামে বিক্রির প্রস্তাব নাকচ করেন। ১৯৭৪ সালের ২ নভেম্বর এক আদেশে বঙ্গবন্ধু লেখেন, ‘আহসান মঞ্জিল বিক্রয় করিবার প্রস্তাব দেখিলাম। নিলামের বিক্রয়ের মূল কারণ ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্যবৃন্দের কাছ থেকে সরকারের পাওনা আদায় করা ও বিক্রয়লব্ধ টাকার বাকি অংশ তাদের মধ্যে বিতরণ করে তাদের অর্থকষ্ট লাঘব করা। আহসান মঞ্জিলের ঐতিহাসিক মূল্য বিচার করিয়া উহাকে সংরক্ষণ করা সমীচীন বলিয়া মনে হয়। ঢাকার মিউজিয়াম ও পর্যটন কর্পোরেশনের প্রস্তাব দুটি সমন্বিত করিয়া একটি প্রকল্প তৈরি করা যেতে পারে। যার মাধ্যমে আহসান মঞ্জিল বর্তমান অবস্থায় সংরক্ষিত হইতে পারে। উহাকে ভ্রমণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় কেন্দ্রে পরিণত করা যাইতে পারে।’ বঙ্গবন্ধুর ওই সিদ্ধান্তের কারণেই আহসান মঞ্জিল নিলামের হাত থেকে রক্ষা পায়। যে ঐতিহাসিক স্থাপনা আজও কালের সাক্ষি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে বুড়িগঙ্গার তীরে।

ইরান সরকারের মালিকানায় ১৮৫ ক্যারেট ওজনের আরেকটি দরিয়া-ই নূর হীরকখণ্ড রয়েছে। সেটি পাওয়া গিয়েছিল অন্র্লপ্রদেশের গোলকণ্ডা খনিতে। ফরাসি অলঙ্কার ব্যবসায়ী ট্যাভেরনিয়র ১৬৪২ সালে ভারত এসে যে গ্রেট ট্যাবল ডায়মন্ড দেখেছিলেন সেটাই ইরানে আছে। ঢাকার নবাব পরিবারের দরিয়া-ই-নূর দক্ষিণ ভারতের খনিতে পাওয়া গেছে বলে কোনও-কোনও ইতিহাসে উল্লেখ আছে।


Once Upon a Time in Dacca by Syed Maqsud Jamil

March 13, 2013

Source: The Daily Star August 31, 2012

……The Dhakaites had their own customs and culture. They were broadly defined along three lines; the Nawab family, the Sukhbas (the comfortably placed) and the Kuttis (the ordinary people). For the Nawabs the language was Urdu, not exactly of Lucknow. The Sukhbas also talked in Urdu in their house, but the language was of their own kind. Many of the Kuttis spoke a highly Bengalicised Urdu while the others spoke a special dialect of Bengali that still mark them out.

The Eid festival has just ended. There were no jazzy shopping malls then, yet Ramadan and Eid brought out the best of fervor and joy from the Dhakaites and the people of Dacca. During Ramadan Qasida (Urdu couplets composed and sung to awaken the faithful for Sehri) competition was held. It was organised by Mirza Abdul Kader, the proprietor of Lion cinema and the head of the 22 Sardars (chieftains) of Dacca. The Sardars of Dacca took special interest in it. The best among the Qasida composers and singers were honored with an attractive cash reward. Most people knew Akram. He had a mellifluous voice. The faithful could not ignore him to get up from bed for sehri. Children were curious to find out how Akram looks. He appeared on Eid day with an aluminium bucket and visited houses. The Eidees dropped into the bucket with great munificence.

It was the custom at that time for every house to send iftar to the local mosque. The faithful used to sit around a dastarkhan (long stretch of white linen to partake of the iftar items). When a child in the family was fasting for the first time, it was a special occasion. The iftar sent to the mosque was special. On the first two days of Eid a mela (fair) was held at Chawk Bazar. It was a special attraction for the children, particularly toy items like a two-wheel carriage with a drum set in the middle and two bamboo sticks beating on it as the carriage was dragged along. There was another item–a toy motor launch with kerosene in it, when put in a basin of water it used to circle around with a sputtering sound. The children used to call it bhotbhoti.

Qawali and to a lesser extent sher-shairis were the cultural pastime of Dacca. Qawali was patronized by the elite of Dacca. The patrons and the enthusiasts showered the Qawals for every effusion of love for the Prophet (PBUM) with bountiful cash encouragement. Sher-shairiwas popular with the Nawab family and the upcountry residents.

And the 30th of Poush was Poush Sangkranti, the day of kite flying. The flamboyant kite flyers gathered at Maidans or on the roof top with the colourful ghuddis (kites) and impressive natais (the wheels). The notables turned out in white kurtaand lungi with red vest inside and a golden chain dangling from the neck. They were watched with awe. They used the most expensive tough yarn of ‘Hazar gazi’ brand. And the lesser ones used the medium priced belcha (spade) brand. The sky of Dacca was littered with flying kites.

Another occasion was the circumcision of the boys and kan chedais (piercing the ear lobes) of the girls. The boys and girls were sent for a ride of the town in an open horse-driven carriage. The Hazzam (the one who severed the foreskin) was given a lungi, one and a quarter kilo rice handful of turmeric and Rs 10 on a bamboo tray draped with a red coverlet and the matronly lady who performed the kan chedai was given a saree and some other item. Onlookers asked “kaunbari ka”(from which house)?

When marriage proposal was sent for a lady of Sukhbas family, the family that proposed sent sweet meats and other traditional food items by a train of carriers, the items draped with silk coverlet. Onlookers talked that ‘shadi ka paigam jaa raha‘ (a marriage proposal is on the way). The visiting family members scanned the grace of the lady with observant attention, like how long were her tresses, how even were the set of teeth, how the eyes were set, how slender were the hands and how elegant was the gait of the lady etc. It was a rigorous trial. The bride’s family responded with raunchy description of the members of the bridegroom’s family. The barbs were launched mostly at the eldest and the youngest sister and of all at the father-in-law with a big paunch.

The lady that shed tears on the shoulder of her father during vidayee (farewell) was once the ladli, the darling of the house. That was the age of innocence she was a tender flower in bloom, giggling to fill the house with happiness. There were no cares to clutter her mind. It was an age of guria ki shadi (wedding of the doll), jhutmut ki khana pakana (mock preparation of food).

Childhood is a roller coaster drive. One quarrel and there is katti fuming and sulking–the dolls were taken back. But friendship smiled, when the sun came out of the clouds, and life went by once upon a time in Dacca.


Revisiting our glorious past by Tasnim Jara

March 13, 2013

Source: The Daily Star Wednesday, January 30, 2013

Back-to-back visits to the Lalbagh Fort and Ahsan Manzil on consecutive days right at the beginning of the New Year were refreshing as well as enlightening. We saw the stateliness and the splendour of the lifestyle of the past Nawabs of Bengal. Among other things, we wondered how the soldiers moved about donning the iron-clad coat of arms. The weapons, utensils, pieces of furniture and all the other artefacts literally took us back in time. The phrase ‘As if history unfolded before our very eyes’, often used in the essay of ‘A Visit to a Place of Historical Interest’ actually materialised before us.

The disconcerting aspect of visits, however, was the way history was being preserved and placed before the world. Many places were sealed off. I am sure; more of the history of our proud past could be put forward. There was hardly any docent and even if there were, all they would do was to walk with us and warn us not to take pictures. The places were littered and they were being treated more as just an open space or a park to spend some time in, than make the visitors to revisit the magnificent part of history that they are. We have no dearth of historians who can help in the proper preservation and in putting up a fitting portrayal of these places, as they truly deserve. It is high time we gave due importance to the past that we should be proud of.


Old images from a long-ago war by Syed Badrul Ahsan

February 22, 2013

The Daily Star -March 28 2012

……Beginning in April 1971, the Bengali resistance to the Pakistan occupation army Mukti Bahini would be swelled by increasing numbers of Bengali deserters from the Pakistan armed forces as well as the police and East Pakistan Rifles. But the bulk of Mukti Bahini strength throughout the weeks and months to liberation would come from Bengali youths in the villages and district towns of the occupied country.

……There were many others who, while trying to cross over to India from West Pakistan, were detected by Pakistan’s border forces and placed under arrest. ….…….The War of Liberation turned out to be an inclusive affair that united Bengalis across the spectrum and beyond the confines of the occupied country. …..Bengali diplomats in Pakistani embassies abroad began to defect to the independence cause within days of the crackdown and the declaration of independence…….

With Sheikh Mujib & Zhou En Lai

K.M.Kaiser (Right) with Sheikh Mujib and Zhou En Lai

In China, Khwaja Mohammad Kaiser, who belonged to the Nawab family of old Dhaka, faced a particular dilemma. He was Pakistan’s trusted envoy in Beijing and highly regarded by the Chinese authorities. Clearly inclined to identify with the Bengali cause, he was unable to find the means to do it, given particularly the vocal support China was giving Pakistan over the Bangladesh crisis. It was for Premier Zhou En-lai to advise him to carry on as best he could, a job he fulfilled till the end. In later years, Kaiser was to go back to Beijing, this time to serve as Bangladesh’s ambassador in a country where he had for a long time upheld the interests of Pakistan.

Khwaja WasiuddinWithin West Pakistan, a very large number of Bengali military as well as civilian officers were stranded as a result of the war. In the case of the military personnel, the authorities exercised particular measures to prevent them from escaping or acting in a way that could recreate the sense of crisis caused by the Matiur Rahman affair. The most senior officer in the army was again a man with roots in East Pakistan. Khwaja Wasiuddin, a son of Ayub Khan’s minister for information Khwaja Shahabuddin, served as a lieutenant general in the Pakistan army. Respected by his Pakistani colleagues, nevertheless during the entire duration of the war, he remained deprived of any specific responsibility. He was repatriated to Bangladesh after the war and honourably retired from the army. The government sent him off to Kuwait as the new country’s ambassador.

Click here to read the full article                                                                                                                                                                                                            
                                                                                                                                                                                                                                                                

A Good Story by Ihtisham Kabir

February 22, 2013

The Daily Star – September 1 2012

story

Stories at Ekushey Book Fair. Photo: Ihtisham Kabir

Who doesn’t love a good story? Some of the earliest stories I enjoyed were long but exciting tales of prophets, kings and villains. My great-
grandmother, whom I called Biamma, told them to me and other children gathered around her. Like Scheherezade, she held us spellbound night after night, breaking off at tense junctures to ensure we returned to her the next day.

Biamma, who had married into the family from Dhaka’s Nawab Bari, was an extraordinary woman. She was over seventy, but her memory never faltered during her storytelling. With her long white hair she was a picture of grace.

She read voraciously. It is said that when she ran out of books to read, she went around the house looking for children’s textbooks.

Her brand of verbal storytelling, called Kissa, has almost disappeared from our culture. Our children multitask their way through life with smartphones, ipads and tablets while wrestling gargantuan homework assignments; few have time to listen to long stories……….

Click here to read the complete article


Rezala -Royal indulgence By Shawkat Osman

February 22, 2013

The Daily Star- January 8 2013

Rezala……The word ‘rezala’ indicates some person called Reza, who is either the creator or the patron of the creator of this meat dish. Rezala, made popular by the Dhaka Nawab Bari, is a festive meal and an indispensable accompaniment to polao.

Ingredients:
1 kg chevon, cut into pieces, 3 tbsp ghee, 6 red onions, sliced, 250g yoghurt, 1 tsp mace, pounded ½ tsp Nutmeg, grated 3 tejpata, 10 cloves, 10 cardamom pods, 10 green chillies, slit’ 2 tsp green chilli paste and 2 tbsp garlic paste.

Method:

Heat 3 tablespoons ghee in a korai/wok and sauté the onions until golden. With a slotted spoon strain out the onions, and grind with 1 tablespoon water (baresta paste). Transfer the remaining ghee to a small container and reserve.In a large mixing bowl, combine the following: baresta paste, yoghurt, mace, nutmeg, tejpata, cloves, green cardamom, green chilli, green chilli paste, garlic paste, ginger paste. Whisk to get a smooth paste. Dunk the meat into the mixing bowl; rub with your fingers to coat them with the spice. Cover the bowl with cling-film. Marinate refrigerated for eight hours.After the marinating period; with a pair of kitchen tongs, pick out the meat pieces, scrape off marinade sticking to meat, and lay them on a platter. Retain the marinade and set both items aside to bring them to room temperature.Place a deghchi/pot over a medium flame, pour in: 4 tablespoons oil, 2 tablespoons ghee, reserved ghee. When fat is very hot, toss in the dry red chillies.As soon as the chillies turn a shade darker; chuck in the meat pieces. Sauté, turning frequently until meat browns on all sides.

Add: marinade, rose water, and kewra water, salt. Mix up. Cook until tender.

Occasionally scrape the base and sides of the deghchi/pot with a wooden khunti/rubber spatula. If the gravy tends to catch the bottom of the deghchi/pot, sprinkle 2 tablespoons water and dilute the gravy. This will bring down the cooking temperature and help to avoid scorching.Alternatively you may cook it in a preheated oven. Make soft dough with the plain flour and enough water. Roll out the dough into a long thin strip; place the strip on the rim of the pot, covering the whole circumference. Rest the lid on the dough strip and firmly press down to attach the lid with the dough tightly.Place deghchi/pot in a preheated oven (170ºC) and cook for 40 minutes. Baking in a sealed deghchi/pot gives the dish extra flavour…..

Click here to read complete article


DHAKAIYYA HUMOUR by Syed Maqsud Jamil

February 22, 2013

The daily Star- Nov 16 2012

……Dhakaiyya humour is all about the life of the Dhakaiyyas, their culture, how they interact and their attitude towards life. They are an unassuming people with no veneer of contrived social credo. Neither are they brash. Their directness can catch people off guard; there are no pretensions. The most disarming thing about it is that the directness comes with a sweet sauce, humour that will not rile the receiver. The humour extends beyond the coachman and his horse and the chicken and the overnight qawwali session……

Dhakaiyya humour also has another element of characterising people by their physical features or oddities, intemperate habits and even by their trades. A dark-skinned person is called Kala Jabun or black berry, a tall man with stooping gait was a Ged or a vulture, a raucous man was a Dhar Kauwaor (a craven) a skinny opium addict was Suka Lerior (dried feces), a querulous woman or a girl was Kauwa Thutithe (one with a crow’s tongue), a woman matchmaker was Futkior (sparrow) and so on.

….The story should move on to the 22 Sardars (Chieftains) of Dacca once appointed by the Nawab of Dhaka. The Sardars continued in their eminence although the Nawab declined in authority. As the story goes, Ayub Khan, during his visit to Dacca, called a meeting of the influential. The Sardars were naturally invited. There was one Sardar who considered himself mighty and had a huge ego. Ayub Khan was speaking in English and the Sardar could not speak a word of it. Some of the participants were venturing into broken English, but the accompanying followers of the Sardar found to their discomfiture that their Lord was losing his eminence by his silence. So they pleaded with the Sardar ‘Sardar Saab sab koi English qairaha ap bhi kuch boliye (everybody is speaking in English, you should say something). When Ayub Khan was making an important point, our Sardar got up and uttered ‘OK’. A month later a letter arrived from the ministry that the President was inviting a participation of the certain sum the sardar had agreed to give. Kindly come forward with your committed amount of Rs.20,000.00. The Sardar was knocked over and he observed, ‘Zindagi mei ektho English kaha uska dam bis hazar, is liye hum English bolte kam’ (In my life I have uttered a single English word and its price is Rs.20,000/-, that is why I rarely speak in English)……

Another Sardar was invited to the final of a table tennis tournament and to give away the prizes. After the final was over the Sardar gave away the prizes. He was then invited to deliver his chief guest’s speech. He spoke thus, “je jitche uibee bhalokhelche, je harche uibee bhalo khelche, jaraa mare dawat diyaanche nami bohut khushihoichi, jara sabbasi dichen tarao bhalo kajkorchen. Kintuk dhonnobad dite hoile ami oimurg iredhonnoba ddimu je murgi aiandata parche etopitaiche magar fatchena.” (The one who has won he has played well, the one who has lost he has also played well, those who invited me I am very happy with them, those who cheered they have also done well. But if I am to express thanks I should thank the chicken that laid the egg, it has been battered so badly, but it has not cracked apart.)

Dhakaiyya humour is profoundly natural. It is not a contrived skit. It is the kind of humour that added to the joy of the time we lived. 

Click here to read complete article


My favorite Halal food places in New York

February 19, 2013

Shadma Khurram 3by Shadma Khurram

As its been told a million times that Dhaka Nawab family members live to eat, not the other way round. So being no exception I m known for my appreciation of fine cuisine. I wanted to give family members some interesting choices in restaurants in NYC

Bundu khan  at Glen Oak Union Turnpike
Delicious but spicy desi food. Try their nihari, chicken tikka ,haleem goat /chicken karahi.

Sagar Chinese  in Jamaica is excellent for Chinese with a desi touch. Try tom yum soup, lollipop chicken, Sagar fried rice.

Famous Hamburger on Steinway st
Very reasonable priced. Beef burgers fries and drink combo. I especially liked burger with mushrooms and Swiss cheese.

King Juice Center  in Jackson height 83 rd st
Enjoy great yakhni soup, chicken kabab, paratha roll and their best Karachi style hunter beef burger.Extremely reasonable price.

Royal Tangra Masala  in new Hyde park / Hillside ave
Great Calcatta style Chinese. Hot and sour soup, Tangra fish, basil chicken are some of the favorites.

Mumbai express on hillside ave 256 st
Fantastic vegetarian with chat, dosa. Lunch platter and grilled green chutney sandwich awesome. 

Bakhtar Afghan halal kababs Fresh Meadow next to Bombay theatre
Excellent Afghani food for reasonable price.No credit card, only cash is accepted.

Ali Baba Fresh Meadow
Great chicken noodle soup. also try the family platter which has a little of everything.Custard is a must.

La canela  halal Mexican  Steinway st
Food was ok,  restaurant was cute. They serve hookah on the table if you want. Very expensive.Tacos and burritos for breakfast

Halal Kennedy fried Chicken  on 179 st Hillside ave
Great veggie omelette with halal bacon toast and home fries, Pancakes /French toast. Very reasonable price.


S.Khwaja Omair discusses “Million man march”

February 16, 2013

January 20, Hicksville New York

National Association of  Pakistani Americans (NAPA) and Karachi Peace Movement  jointly organized a dialogue of Pakistan based political parties at Antun’s Banquet Hall  in New York. Syed Khwaja Omair Hassan president NY chapter of Minhaj-ul-Qur’an spoke on the occasion explaining Dr Quadri’s long march campaign. The following video clip is 20 minutes long, S.Khwaja .Omair Hassan’s speech starts after 5 minutes.

Background: In December 2012, after living for seven years in Toronto, Canada, Muhammad Tahir-ul-Qadri returned to Pakistan and initiated a political campaign which called for a “democratic revolution” through electoral reforms. Qadri called for a “million-man” march in Islamabad to protest against the government’s corruption. On January 14, 2013, crowds marched down the city’s main avenue. Thousands of people pledged to sit-in until their demands were met. After four days of sit-in, the Government and Qadri signed an agreement called the Islamabad Long March Declaration, which promises electoral reforms and increased political transparency.

Critics have charged that the protests were a ploy by the Pakistan Armed Forces to delay elections and weaken the influence of the civilian government, citing Qadri’s close ties to the military, dual nationality and foreign sources of funding. Lawyers for the Supreme Court of Pakistan claimed that Qadri’s demands are unfeasible because they conflict with the Constitution of Pakistan.


Khaza Mizan graduates from Cardiff Metropolitan University

February 14, 2013

Khaza Mizan

Khwaja Mizan, son of Khwaja Iqbal and Grandson of Khwaja Abdur Rahim.
graduated from Cardiff Metropolitan University, Cardiff, UK. He did his BA (Hon’s) in Business Studies.

Khaza Mizan was born and brought up at 14 Ahsanullah Road, Nawabbari , Dhaka. He is currently living in London, working as a carrier account manager in Zamir Telecom Limited, a wholesale voice company based in London.  He could be reached at +447970973057